মোবাইলের জন্য সেরা ৫টি ভিডিও এডিটিং অ্যাপ



ভিডিও এডিটিং। ভিডিও এডিটিং কথাটা শুনলে আমাদের মাথায় সর্বপ্রথম চিন্তা আসে একটি ভালো মানের ভালো দামের পিসি বা কম্পিউটারের কথা।কিন্তু আপনি কি জানেন মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং করা যায়? হ্যাঁ, আপনি ঠিক শুনেছেন মোবাইল দিয়েও প্রফেশনাল মানের ভিডিও এডিটিং করা যায়।

 মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং করার জন্য প্লে স্টোরে রয়েছে হাজার হাজার ভিডিও এডিটিং অ্যাপ্লিকেশন, কিন্তু সবগুলো এপ আবার ভালো না কতগুলো অ্যাপ রয়েছে যেগুলো অন্যগুলোর তুলনায় একটু ব্যতিক্রমধর্মী এবং এই অ্যাপ গুলো দিয়ে ভালো ভাবে প্রফেশনাল মানের কাজ করা যায় এবং এই এপ গুলো দিয়ে চাইলে আপনি আপনার ভিডিও এডিটিং ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন। 

ভিডিও এডিটিং করে শুরু করার জন্য আপনার প্রথমেই পিসি বা ল্যাপটপে ইনভেস্ট করা লাগবে না, ফোন দিয়েই শুরু করতে করেন। 

তাই আজকের ব্লগে আমি আপনাদেরকে জানানোর চেষ্টা করবো মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং করার জন্য সেরা পাঁচটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন নিয়ে। তো চলুন বেশি কথা না বলে একে করে প্রত্যেকটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক। 

  • Inshot - ইনশোট 

এই অ্যাপ্লিকেশনটি আমার অনেক ফেভারিট অ্যাপ্লিকেশন ভিডিও এডিটিং করার জন্য। কারণ এই অ্যাপ্লিকেশনটির ইন্টারফেস অনেক সহজ।আপনি যদি ভিডিও এডিটিং ক্যারিয়ার নতুন হয়ে থাকেন তাহলে শুরু করার জন্য অ্যাপ্লিকেশনটি একটি সেরা অ্যাপ্লিকেশন হতে পারে।

এই এপটি তুলনামূলক অনেক সহজ যার কারণে আপনার অ্যাপ্লিকেশনটি শিখতে তেমন সময় লাগবে না তাছাড়া ইউটিউবে অনেক টিউটোরিয়াল রয়েছে যেগুলো দেখে আপনি খুব সহজেই শিখে নিতে পারেন। 

  • Filmora Go - ফিলমোরা গো

আপনি যদি সিনেম্যাটিক বা ব্লগিং ভিডিও এডিটিং করতে চান তাহলে অ্যাপ্লিকেশনটি আপনাকে অনেক সাহায্য করবে। কারণ অ্যাপ্লিকেশনে রেডিমেট কয়েকটি টেম্পলেট ও সিনেমেটিক ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক সহ অনেক সিনেম্যাটিক Elements রয়েছে।

 এই অ্যাপ্লিকেশনটি ইনসট এর মতো অনেক সহজ একটি অ্যাপ্লিকেশন, এর ইন্টারফেস অনেক ইজি। যার করণে আপনার শিখতে তেমন সময় লাগবে না, তাছাড়া আপনি ইউটিউবে এই অ্যাপ্লিকেশন সম্পর্কে অনেক টিউটোরিয়াল পেয়ে যাবেন যেগুলো দেখে আপনি খুব সহজেই শিখে নিতে পারেন।

  • VideoShow - ভিডিও শো

ভিডিও শো । এই অ্যাপ্লিকেশনটি যারা ভিডিও এডিটিং একদম বিগিনার এবং অল্প সময়ে ভালো মানের ভিডিও এডিট করতে চান তাদের জন্য এটি সেরা হতে পারে। তাছাড়া যারা স্লাইড ভিডিও মানে ছবি দিয়ে স্লাইড ভিডিও তৈরি করতে চান তারা এপলিকেশন ইউজ করতে পারেন কারন এখানে রয়েছে ছবি দিয়ে ভিডিও বানানোর মানে স্লাইডের অসংখ্য টেমপ্লেট এবং এই টেমপ্লেট গুলোও অনেক আকর্ষণীয় ।

 এই অ্যাপ্লিকেশনটি এতটাই সহজ যে অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহার করার জন্য আপনার আলাদা কোনো ইউটিউবে টিউটোরিয়াল দেখতে হবে না। আপনি যদি বেসিক কিছু টুল সম্পর্কে বুঝতে পারেন তাহলে এই অ্যাপটি দিয়ে আপনি মোটামুটি ভালো মানের ভিডিও এডিটিং করতে পারবেন।

  • Power Director - পাওয়ার ডিরেক্টর 

এই অ্যাপ্লিকেশনটি যারা ভিডিও এডিটিং সম্পর্কে মোটামুটি ভালো ধারনা আছে তারাই ব্যবহার করবেন কারণ এই আ্যপ্লিকেশনটি মোটামুটি একটু কঠিন এবং প্রফেশনাল লেভেলের অ্যাপ্লিকেশন। এই অ্যাপ্লিকেশনটি দিয়ে মোবাইল দিয়ে প্রফেশনাল লেভেলের ভিডিও এডিটিং করা সম্ভব।

 এই অ্যাপ্লিকেশন দিয়ে চাইলে আপনি মিউজিক ভিডিও থেকে শুরু করে নাটক পর্যন্ত এডিট করতে পারবেন যদি আপনার স্কিল থেকে থাকে।

আপনি যদি একেবারে বিগেনার হয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে বলব না অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে কারণ এটা অনেক প্রফেশনাল মানের একটা সফটওয়্যার। তাছাড়াও এর আরেকটা সফটওয়্যার রয়েছে সেটা আরও প্রফেশনাল মানের যেটা আমরা নাম্বার ওয়ানে রেখেছি।

 যদি আপনি ভেবে ভেবে থাকেন যে মোবাইল দিয়ে আপনি ভিডিও এডিটিং শুরু করবেন তাহলে আপনি নির্দ্বিধায় অ্যাপ ইউজ করতে পারেন তবে শিখতে একটু সময় লাগবে। 

আরো পড়ুনঃ১৫হাজার টাকায় সেরা ৫টি ফোন

  • Kinemaster - কাইনমাস্টার

এখন আপনাদেরকে যে এডিটিং এপ সম্পর্কে জানাবো সেটি অনেক প্রফেশনাল মানের একটি অ্যাপ্লিকেশন। আমি এমন অনেক বড় ইউটিউবারদের চিনি যাদের 10 লক্ষের অধিক সাবস্ক্রাইবার রয়েছে তারাও এই এপ্লিকেশন দিয়ে ভিডিও এডিট করে ইউটিউবে আপলোড করছে এবং লক্ষ লক্ষ ভিউ হচ্ছে এবং কেউ বুঝতেও পারছে না যে তিনি ফোন দিয়ে এডিট করছেন।

আশা করি বুঝতে পারছেন যে এই অ্যাপ্লিকেশনটি কতটা প্রফেশনাল মানের। এই অ্যাপ্লিকেশন দিয়ে চাইলে আপনি মিউজিক ভিডিও থেকে শুরু করে বিভিন্ন COMMERCIAL ভিডিও পর্যন্ত এডিট করতে পারবেন।আপনি যদি মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং করার ব্যাপারে একেবারে সিরিয়াস হয়ে থ

শেষ কথাঃ

আজকের ব্লগটি এই পর্যন্তই,আশাকরি আপনার ভালো লেগেছে। যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে কমেন্ট করতে পারেন। আমাদের ব্লগ সাইটের সাথেই থাকবেন।